কোকা-কোলার সিক্রেট রেসিপি কি শুধুমাত্র দুইজন ব্যক্তি জানেন?

কোকা-কোলা, ইংরেজিতে Coca-Cola. যা বর্তমানে সংক্ষেপে কোক (Coke) নামেই পরিচিত। এটি এক প্রকার কার্বোনেটেড কোমল পানীয়। শত বছর পুরোনো এই পানীয়টি বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় কোমল পানীয় এর মধ্যে একটি। দ্যা কোকা-কোলা কোম্পানির দাবি অনুযায়ী বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশে কোকা-কোলা বিক্রি হয়। জনপ্রিয় এই পানীয়টির রেসিপি নিয়ে তাই যুগ যুগ ধরে চলছে নানা ধরণের রহস্য এবং ভুয়া তথ্য যা এখনো বিদ্যমান। কোকা-কোলা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগসহ, সংবাদমাধ্যম থেকে শুরু করে লোকমুখেও নানা ধরণের ভুল এবং বানোয়াট তথ্য প্রচলিত রয়েছে।

কোকা-কোলা নিয়ে কিছু ভুয়া তথ্যের নমুনা

১. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে “Durbin Newsনামের একটি ফেসবুক পেজ থেকে ২০২১ সালের ২০ জুন কোকাকোলার অজানা কথা.. (আর্কাইভ) শিরোনামে একটি ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। ভিডিওতে উল্লেখ করা হয় কোকাকোলার ফর্মুলা শুধুমাত্র দুজন ব্যক্তি জানেন। এই দুজন ব্যক্তির কেউই একে অপরকে চিনেন না। এমনকি তাদের দেখা সাক্ষাতেরও অনুমতি নেই।

রেসিপি

২. দেশীয় অনলাইন সংবাদমাধ্যম “রাইজিংবিডি”তে ২০১৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি কোকাকোলার গোপন রেসিপি (আর্কাইভ) শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয় যে দশ জন অফিসারের হাতে ফর্মুলার চাবিকাঠি রয়েছে, তাদের একসঙ্গে বসবাস এবং চলাফেরাও নিষিদ্ধ। যদি তারা অপহৃত হন বা দুর্ঘটনার কবলে পড়েন সে কারণে এই সতর্কতা।

৩. দেশীয় ব্লগসাইট “Somewhereinblog” এ মিজভী বাপ্পা নামের এক ব্যবহারকারী কোকাকোলার অতি গোপনীয় রেসিপি ফাঁস (আর্কাইভ) শিরোনামের এক ব্লগপোস্টে লিখেছেন- এই ফর্মূলা জানা লোকের সংখ্যা কেবল তিন। তারা কখনও একসঙ্গে মিলিত হন না।

কোকা-কোলার ইতিহাস

কোকা-কোলা ১৮৮৬ সালে আমেরিকার আটলান্টার ফার্মাসিস্ট, জন এস. পেম্বারটন (১৮৩১-৮৮) তার পেম্বারটন কেমিক্যাল কোম্পানিতে তৈরি করেছিল। পেম্বারটনের হিসাবরক্ষক, ফ্র্যাঙ্ক রবিনসন পানীয়টির নাম দিয়েছিলেন “কোকাকোলা” এবং এর প্রস্তুতকরণ পদ্ধতি লিখে রেখেছিলেন যা পরবর্তীতে কোকা-কোলা ট্রেডমার্ক হয়ে ওঠে। পেমবার্টন মূলত তার পানীয়টিকে সাধারণ অসুস্থতার জন্য একটি টনিক হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন। এটি কোকা পাতার কোকেন এবং কোলা বাদামের ক্যাফেইন-সমৃদ্ধ নির্যাসের উপর ভিত্তি করে তৈরি। ১৯০৩ সালে কোকা-কোলার উপাদান থেকে কোকেন অপসারণ করা হয়। পেমবার্টন তার সিরাপ স্থানীয় সোডার দোকানে বা ফার্মেসীতে বিক্রি করেছিলেন, এবং বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে, পানীয়টি অসাধারণভাবে সফল হয়েছিল। ১৮৯১ সালের মধ্যে আরেকজন আটলান্টা ফার্মাসিস্ট ও ব্যবসায়ী, আসা গ্রিগস ক্যান্ডলার (১৮৫১-১৯২৯) কোকাকোলার ব্যবসার সম্পূর্ণ মালিকানা (মোট $২,৩০০ নগদ অর্থ এবং কিছু সম্পত্তির মালিকানা বিনিময়ের মাধ্যমে) নিশ্চিত করেছিলেন এবং পরের বছর তিনি কোকা-কোলা কোম্পানিকে অধিভুক্ত করেন। ট্রেডমার্ক “কোকা-কোলা” ১৮৯৩ সালে মার্কিন পেটেন্ট অফিসে নিবন্ধিত হয়েছিল।

কোকা-কোলার ফর্মুলার গোপনীয়তার ইতিহাস

কোকা-কোলার উপাদানের বিখ্যাত গোপন সূত্রটি সুরক্ষিত। ফর্মুলাটি সর্বকালের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সুরক্ষিত গোপনীয়তাগুলোর মধ্যে একটি। প্রতিযোগীরা কোকা-কোলার ফর্মুলা যেন অনুলিপি না করতে পারে তাই বছরের পর বছর ধরে সূত্রটি গোপন রাখা হয়েছে। এই গোপনীয়তার বিষয়টিকে ঘিরে বিভিন্ন পৌরাণিক কাহিনী এবং কিংবদন্তি গল্পেরও জন্ম হয়েছে।

১৮৮৭ সালে “আসা ক্যান্ডলার” নামক এক ফার্মাসিস্ট ও ব্যবসায়ী কোকাকোলার ফর্মুলাটি কিনে নেন। কোকাকোলার প্রতিদ্বন্দ্বীরা রেসিপিটি যেন না পেয়ে যায় এবং কেউ এটি আর কখনও যেন অনুলিপি করতে না পারে সে ব্যাপারে তিনি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। ক্যান্ডলার ফর্মুলাটি নিরাপদ রাখার জন্য এটি অবিলম্বে তৎকালীন জর্জিয়া ট্রাস্ট ব্যাঙ্কে রাখেন। কর্মীরা কোকাকোলার উপাদানের পাত্র থেকে সমস্ত লেবেল (উপাদানের নাম) মুছে ফেলে এবং শুধুমাত্র দৃষ্টি ও গন্ধ দ্বারা শনাক্ত করে। ১৯২৫ সালে, কোকা-কোলার সূত্রের একমাত্র লিখিত অনুলিপি নিউইয়র্কের একটি ব্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল (যেখানে এটি চিনির ঋণে জামানত হিসাবে রাখা হয়েছিল) এবং পরে তা সাথে আটলান্টা ব্যাংকের নিরাপদ আমানত বাক্সে (ভল্টে) রাখা হয়েছিল। আটলান্টা ব্যাংক জর্জিয়ার ট্রাস্ট কোম্পানি (যা পরে ফ্লোরিডার সান ব্যাংকের সাথে একীভূত হয়ে সানট্রাস্ট ব্যাংক তৈরি করে)।

একইসাথে যে ক’জন কোকা-কোলার ফর্মুলা জানতে পারেন

১৯২৫ সালে কোকাকোলা একটি নীতি নির্ধারণ করে যার মাধ্যমে বোর্ডের লিখিত অনুমতি ছাড়া কেউ ফর্মুলাটি দেখতে পারবেন না এবং অনুমতি নিলেও শুধুমাত্র কোকাকোলার পরিচালনা বোর্ডের প্রেসিডেন্ট, চেয়ারম্যান বা কর্পোরেট সচিবের উপস্থিতিতে রেসিপি দেখতে হবে। এছাড়াও, নিয়মে বলা হয়েছে যে একই সময়ে কম্পানির দুইজন কর্মকর্তাকে (পরিচালনা বোর্ডের প্রেসিডেন্ট, চেয়ারম্যান বা কর্পোরেট সচিব ছাড়াও ) রেসিপিটি জানার অনুমতি দেওয়া হবে এবং তাদের পরিচয় কখনোই কোনো কারণে প্রকাশ করা যাবে না। এই নীতির সাথে কম্পানির বিমান ভ্রমণের নীতিও সংশোধন করা হয়েছিল যে; একই সময়ে সেই দুই কর্মকর্তাকে একই বিমানে  ভ্রমণ করতে দেওয়া হবেনা

অর্থাৎ, কোকাকোলার পরিচালনা বোর্ডের প্রেসিডেন্ট, চেয়ারম্যান বা কর্পোরেট সচিব ছাড়াও একই সময়ে আরও দুইজন (কর্মকর্তা) এর রেসিপি বা ফর্মুলা জানেন। এছাড়াও কর্মকর্তা দুজন একসাথে কেবলমাত্র বিমানে ভ্রমণ করতে পারবেননা। বিমান ব্যতীত অন্যান্য উপায়ে ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে আইনে কিছুই উল্লেখ করা হয়নি।

তবে, “কোকাকোলার রেসিপি পৃথিবীতে জীবিত সর্বসাকুল্যে কেবলমাত্র দুজন জানেন এমন দাবি সঠিক নয়। এবং যে দুজন জানেন তাদের একজন রেসিপির অর্ধেক ও অন্যজন বাকি অর্ধেকটা জানেন” সংক্রান্ত দাবিটিও সঠিক নয় বলে জানিয়েছে ফ্যাক্টচেকিং প্রতিষ্ঠান স্নোপস।

রেসিপি পরিবর্তন

কোকা-কোলার সাত-উপাদানের সূত্রটি আটলান্টার রসায়নবিদ এবং প্রাক্তন কনফেডারেট সেনা কর্মকর্তা জন পেম্বারটন তৈরি করেছিল যিনি মরফিনের আসক্তি নিয়ে গৃহযুদ্ধ থেকে বেরিয়ে এসেছিলেন। নিজের অসুস্থতা নিরাময়ের আশায়, তিনি পেমবার্টনের “ফ্রেঞ্চ ওয়াইন কোকা” তৈরির চেষ্টা করেন। এটি একটি পানীয় যাতে কোলা বাদাম এবং কোকা ওয়াইন অন্তর্ভুক্ত ছিল। কিন্তু ১৮৮৬ সালে, আটলান্টা নিষিদ্ধ আইন পাস করার সাথে সাথে, তিনি অ্যালকোহল ছাড়া পানীয়টিকে সংস্কার করেন। পাশাপাশি এর পুনরায় নামকরণ করেন কোকা-কোলা, এবং এটি জর্জিয়ার ফার্মেসিতে বিক্রি শুরু করেন। দ্য গার্ডিয়ান এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরবর্তীতে মাদক সম্পর্কে জনসাধারণের অস্বস্তি তৈরি হওয়ায় পানীয় থেকে কোকেন সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কোকেন অপসারণের পরে কোকা পাতার নির্যাস এখনও ব্যবহার করা হয়।

ফর্মুলা ভল্টে স্থাপন

কোকা-কোলার বিপণন ব্যবস্থাপক জ্যাকি ওয়ান্সলির বরাতে এবিসি নিউজ জানিয়েছে, কোকাকোলার ফর্মুলা ১৯২৫ সাল থেকে আটলান্টার সানট্রাস্ট ব্যাংকের একটি ভল্টে রাখা হয়েছিল, ২০১১ সালের ৪ ডিসেম্বর কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ফর্মুলাটি ব্যংকার ভল্ট থেকে নিজস্ব ভল্টে স্থানান্তরিত করা হয়।

এটি এখন ডাউনটাউন আটলান্টায় কোম্পানির আকর্ষণ কেন্দ্র “কোকা-কোলা ওয়ার্ল্ডে” একটি ১০ ফুট লম্বা ভল্টের ভিতরে রয়েছে। ফর্মুলাটি চিরস্থায়ীভাবে সেখানেই থাকবে। 

কোকা-কোলার ফর্মুলা খুঁজে পাওয়ার ইতিহাস

আমেরিকার অন্যতম বিখ্যাত রেডিও সম্প্রচারকারী কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে যে তারা কোকাকোলা তৈরির উপাদানের “৭এক্স” ফর্মুলার গোপন রহস্য আবিষ্কার করেছে। পাবলিক রেডিও প্রতিষ্ঠান “দিস আমেরিকান লাইফ” উপস্থাপক ইরা গ্লাস বলেছেন যে তিনি ফর্মুলাটির একটি অনুলিপি খুঁজে পেয়েছেন। এটি তিনি পেয়েছিলেন, কোকা-কোলার হোমটাউন; আটলান্টার সংবাদপত্র “আটলান্টা জার্নাল-কন্সটিটিউশন” এর একটি পুরোনো কপিতে। ১৮ ফেব্রুয়ারী,১৯৭৯ তারিখের সংবাদপত্রটির টু.বি পৃষ্ঠায় অনুলিপিটি প্রকাশ করা হয়েছিল। নিবন্ধটি সেই সময়ে খুবই কম মনোযোগ পায়। প্রযোজকরা বলছেন, তখন এর গুরুত্ব কেউ বুঝতে না পারার কারণ হলো, গল্পটি চিত্রিত করার জন্য ব্যবহৃত ফর্মুলার ছবিটি জন পেম্বারটনের আসল ফর্মুলার একটি হাতে লেখা অনুলিপি ছিল। ফর্মুলাটি পেম্বারটনের এক বন্ধু লেদার মলাটের মলম এবং ওষুধের ফর্মুলা বইতে লিখে রেখেছিল এবং তিনি এই কপি পরবর্তীতে বন্ধু এবং পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন।

Also Read: ফলের গায়ে লাগানো স্টিকারের রহস্য কি?

বইটি কোকাকোলার উদ্ভাবক পেম্বারটনের সেরা বন্ধু এবং সহযোগী আটলান্টা রসায়নবিদ, আরআর ইভান্সের ছিল। “দিস আমেরিকান লাইফ” কর্তৃপক্ষ বইটি জর্জিয়ার গ্রিফিনের এভারেট বিল নামে একজন রসায়নবিদের বিধবা স্ত্রীর কাছে খুঁজে পেয়েছেন। তিনি বলেছেন যে, তার স্বামী আটলান্টা জার্নাল-সংবিধান পত্রিকার লেখকের বন্ধু ছিলেন। একসাথে মাছ শিকার করতে গিয়ে তাদের বন্ধুত্ব হয়েছিল।

এই হাতে লেখা ফর্মুলাটি মার্ক পেন্ডারগ্রাস্ট দ্বারা অনুমানকৃত ফর্মুলার সাথে অসাধারণভাবে মিল রয়েছে যিনি ১৯৯৩ সালে ফর গড, কান্ট্রি এবং কোকা-কোলা” শিরোনামে পানীয়টির একটি ইতিহাস লিখেছিলেন।

কোকা-কোলার প্রতিক্রিয়া

তবে কোকা-কোলা একজন সহযোগী বলেছেন, “তাদের ফ্ল্যাগশিপ কোলা রেসিপি প্রায় ১২৫ বছর পরেও এখনও গোপন রয়েছে”। এবং তিনি পাবলিক রেডিও শো কর্তৃক কোকা-কোলার আসল ফর্মূলা উন্মোচিত করার বিষয়টিকে অস্বীকার করেছেন (আসল ফর্মুলা নয় দাবি করেছেন)।
কোকা-কোলার মুখপাত্র কেরি ট্রেসলার বলেছেন, “‘দিস আমেরিকান লাইফ’ সহ অনেক থার্ড পার্টি আমাদের গোপন ফর্মুলা উন্মচন করার চেষ্টা করেছে। তারা যতটা চেষ্টা করতে পারে, তারা ব্যর্থ হয়েছে কারণ ‘রিয়েল থিং’ একটিই।

কোকা-কোলার উপাদানে এলকোহল নিয়ে বিতর্ক

কোকা-কোলা তাদের যুক্তরাজ্যের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে জানিয়েছে, “কোকাকোলায় অ্যালকোহল থাকে না”। এছাড়াও কোকা-কোলা এবং মালয়েশিয়ান কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে সেখানকার কোকাকোলায় অ্যালকোহল থাকে না

তবে, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদবনে উল্লেখ করা হয়েছে “ফ্রান্স-এ করা একটি গবেষণা অনুযায়ী কোকা-কোলায় অ্যালকোহল এর অস্তিত্ব রয়েছে”। পাশাপাশি, মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক আরব নিউজ এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে; “প্যারিস-ভিত্তিক ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ কনজাম্পশন (আইএনসি) অনুযায়ী অর্ধেকেরও বেশি নেতৃস্থানীয় কোলা পরীক্ষা করা হয়েছে যাতে অ্যালকোহলের চিহ্ন রয়েছে। শুধুমাত্র সস্তা সুপারমার্কেটের কোলা অ্যালকোহল মুক্ত।

রেসিপির উপাদানসমূহ

কোকার তরল নির্যাস: ৩ ড্রামস ইউএসপি

  • সাইট্রিক অ্যাসিড: ৩ আউন্স
  • ক্যাফেইন: ১ আউন্স
  • চিনি: ৩০ (অস্পষ্ট পরিমাণ, সম্ভবত পাউন্ড)
  • পানি: ২.৫ গ্যালন
  • লেবুর শরবত: ২ পিন্ট, ১ কোয়ার্ট
  • ভ্যানিলা: ১ আউন্স
  • ক্যারামেল: ১.৫  আউন্স বা তার বেশি রঙ

গোপন “৭এক্স” ফর্মুলা

[ প্রতি পাঁচ গ্যালন সিরাপে, ২ আউন্স ফ্লেভার (নিম্নলিখিত সাত উপাদানের) যোগ করতে হবে]

১। অ্যালকোহল: ৮  আউন্স

২। কমলা তেল: ২০ ফোঁটা

৩। লেবু তেল: ৩০ ফোঁটা

৪। জায়ফল তেল: ১০ ফোঁটা

৫। ধনিয়া তেল : ৫ ফোঁটা

৬। নেরোলি তেল: ১০ ফোঁটা

৭। দারুচিনি তেল: ১০ ফোঁটা

দিস আমেরিকান লাইফ” টিম মূল সূত্রের স্বাদ-পরীক্ষা করার জন্য বিশেষজ্ঞ এবং সাধারণ নাগরিকদের অন্তর্ভুক্ত করেছিল। ফলাফলে এর স্বাদ বেশ কাছাকাছি ছিল, এবং কিছু লোক এটিকে আসল কোকাকোলার স্বাদের থেকে আলাদা করতে পারেনি।

সুতরাং, কোকাকোলার পরিচালনা বোর্ডের প্রেসিডেন্ট, চেয়ারম্যান বা কর্পোরেট সচিবসহ একই সময়ে আরও দুইজন (কর্মকর্তা) এর রেসিপি বা ফর্মুলা জানেন। সর্বসাকুল্যে মাত্র দুজন নয়। এছাড়াও ফর্মুলা সম্পর্কে অবগত কর্মকর্তা দুজন একইসাথে কেবলমাত্র বিমানে ভ্রমণ করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আইন রয়েছে। বিমান ব্যতীত অন্যান্য উপায়ে ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে কিছুই বলা হয়নি

তথ্যসূত্র

হালনাগাদ / Update

২৫ জুলাই ২০২২ঃ উক্ত ফ্যাক্ট-ফাইলে “কোকা-কোলার প্রতিক্রিয়া” এবং “কোকা-কোলার উপাদানে এলকোহল নিয়ে বিতর্ক” অনুচ্ছেদ দুটি ভুলবশত সংযুক্ত করা ছিলনা, যা পরবর্তীতে নিজস্ব সংশোধন নীতি অনুযায়ী হালনাগাদ করে প্রতিবেদনের শেষে UPDATED লেবেল যুক্ত করেছে রিউমর স্ক্যানার।
RS Team
Rumor Scanner Fact-Check Team
- Advertisment -spot_img
spot_img
spot_img