গত ২৮ নভেম্বর ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুরে শীতের কনটেন্ট বানাতে গিয়ে আগুনে দগ্ধ হয়েছেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর মো. আল আমিন। এরই প্রেক্ষিতে, আহত মো. আল আমিন মারা গেছেন দাবিতে একটি তথ্য ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে।

ফেসবুকে প্রচারিত কিছু পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কােইভ), এখানে (আর্কােইভ), এখানে (আর্কােইভ), এখানে (আর্কােইভ), এখানে (আর্কােইভ)।
ইনস্টাগ্রামে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কােইভ)।
ইউটিউবে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কােইভ)।
টিকটকে প্রচারিত পোস্ট দেখুন এখানে (আর্কােইভ)।
এই প্রতিবেদনটি প্রকাশ হওয়া অবধি আলোচিত দাবিতে প্রচারিত উপরোল্লিখিত টিকটক পোস্টটি প্রায় ১৩ হাজার বার দেখা হয়েছে এবং প্রায় সাড়ে তিনশো পৃথক অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্টটিতে লাইক দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, পোস্টটি অন্তত ১২ বার শেয়ার করা হয়েছে।
ফ্যাক্টচেক
রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, আহত কনটেন্ট ক্রিয়েটর মো. আল আমিন মারা যাননি। তিনি রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন বলে তার সহকর্মীর বরাতে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
অনুসন্ধানে প্রথম আলোর ওয়েবসাইটে গত ৩০ নভেম্বর ‘ভিডিও বানাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ময়মনসিংহের এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন পাওয়া যায়। উক্ত প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত ২৮ নভেম্বর গৌরীপুর উপজেলার দাড়িয়াপুর ইটখোলার মোড়সংলগ্ন এলাকায় কনটেন্ট ক্রিয়েটর মো. আল আমিন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের জন্য ‘শীতকালীন কনটেন্ট’ তৈরি করতে গিয়ে আগুনে দগ্ধ হয়েছেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
একই তথ্য পাওয়া যায় জাতীয় গণমাধ্যম কালের কণ্ঠ, বাংলদেশ টাইমস।
এরপর বিষয়টি অধিকতর যাচাইয়ের জন্য আহত কনটেন্ট ক্রিয়েটর মো. আল আমিনের সহকর্মী আজাদ হোসেন জনির সাথে যোগাযোগ করে রিউমর স্ক্যানার টিম। জনি জানান, আল আমিন এখন সুস্থ আছেন এবং বারডেম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সুতরাং, আহত কনটেন্ট ক্রিয়েটর মো. আল আমিনের মৃত্যুর দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা।
তথ্যসূত্র
- Prothom Alo- ভিডিও বানাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ময়মনসিংহের এক কনটেন্ট ক্রিয়েটর
- Kaler Kantho- কনটেন্ট ক্রিয়েটর আল আমিন কেমন আছেন, যা জানালেন স্বজনরা
- Bangladesh Times- কনটেন্ট ক্রিয়েটর আল-আমিনের শারীরিক অবস্থার উন্নতি
- Colleague Statement





